৫ই মে বর্তমান সরকারের বর্বরতায় আমাদের বিপুল সংখ্যক নেতা, কর্মী এবং সমার্থক শহীদ হয়েছেন, আমরা তাদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি Email: hifazatheislam@gmail.com

Please read the request carefully

Dear Muslim Brothers and Sisters
Take our salam first, we are looking few sponsor to continue our official website to receive our voice around the world. we propose a budget to continue-

Top level Domain= $10/year X 3= $30
Hosting= $7/month (secure, powerful & confidential) X 36 month= $252
Website design and development (with bangla & english version) = $300
Maintenance fees with expert = $20/year X 3= $60
English translator (who convert hifazat-e-Islam's voice in English)= $150/month X 36 month = $5400

Total cost for 3 years= $6042

So dear Muslim brothers and sisters, if you interested to donate for the website purpose, please contact with us at

hifazatheislam@gmail.com

Remember, your donation can be receive our voice around the world that will be inspire another Muslim brothers and sisters.
Inshallah we will be seeking our sponsor immediately, or may Allah will be helping us.

আওয়ামী হানাদারদের বর্বরতার কিছু ছবি

Loading...

Wednesday, June 26, 2013

২০শে রমজান পর্যন্ত ইফতার মাহাফিল এবং সেপ্টেম্বরের ২য় সপ্তাহ থেকে সারাদেশের আলেম ওলামাদের নিয়ে জাতীয় সম্মেলন

গতকাল চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদরাসা মিলনায়তনে শীর্ষ নেতাদের এক জরুরি সভায় ১৩ দফা দাবি তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দিতে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়। এর মধ্যে ১৩ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ব্যাপক গণজাগরণ সৃষ্টি ও দলের কর্যক্রম তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দিতে ২০ রমজান পর্যন্ত শাখা পর্যায়ে ইফতার মাহফিল এবং সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে সারাদেশে আলেম-ওলামাকে নিয়ে জাতীয় সম্মেলনসহ প্রতিটি জেলা-উপজেলা, গ্রাম-গঞ্জে আলোচনা সভা, সেমিনার ও দোয়া মাহফিলের বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এছাড়া যেসব মহানগর ও জেলা-উপজেলায় কমিটি গঠিত হয়নি, সেখানে কমিটি গঠন করার যথযথ ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

আমরা আল্লাহ ও তার রাসুল (সা.)-এর সম্মান রক্ষার্থে খানকাহ্ ও কোরআন-হাদিসের দরগাহ ছেড়ে রাজপথে নেমেছি। কোনো হুমকি, নির্যাতন, মামলা, হয়রানি ও ষড়যন্ত্র আমাদের ঈমান রক্ষার আন্দোলন থেকে বিরত রাখতে পারবে না। দেশের যে স্থানে যে কোনো সময়ে ইসলামবিদ্বেষী শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠলে এদেশের নবীপ্রেমিক আলেম-ওলামা ও তাওহিদি জনতা জীবনবাজি রেখে তাদের দাঁতভাঙা জবাব দিতে প্রস্তুত রয়েছে। বর্তমান ইসলামবিদ্বেষী অপশক্তির চেয়ে বৃহত্ শক্তি ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শক্তিকে ওলামায়ে কেরাম উপমহাদেশ থেকে বিতাড়িত করেছে, তাদের দোসরদের বিরুদ্ধে লড়াইয়েও আমরা বিজয়ী হবো। চারদিকে হাজারো অপপ্রচার, মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বক্তব্য, নেতাকর্মীদের নামে নানান অপবাদ সত্ত্বেও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সব নেতাকর্মী ঐক্যবদ্ধ রয়েছেন।

Sunday, June 23, 2013

শবে বরাত এবং আমাদের করনীয়

আজ পবিত্র শবেবরাত। শাবান মাসের ১৫ তারিখ কেই শবে বরাতের রাত্রী বলে ঘোষনা করা হয়। শব শব্দটি ফার্সি যার অর্থ রাত আর বরাত শব্দের অর্থ ভাগ্য। বিশেষ এ রাতে মহান আল্লাহতায়ালা আগামী এক বছরের জন্য মানুষের রিজিক, জন্ম-মৃত্যু ইত্যাদি বিষয় নির্ধারণসহ তার সৃষ্ট জীবের ওপর অসীম রহমত নাজিল করে থাকেন বলে এ রাতকে শবেবরাত বা ভাগ্যরজনী বলা হয়।

এই রাত্রি সম্পর্কে হযরত মোহাম্মদ (সা:) বলেন, এই রাত্রিতে এবাদত-কারিদের গুনাহরাশি আল্লাহ তা’আলা ক্ষমা করে দেন। তবে কেবল আল্লাহর সাথে শিরককারী, সুদখোর,গণক, যাদুকর, কৃপণ, শরাবী, যিনাকারী এবং পিতা-মাতাকে কষ্টদানকারীকে আল্লাহ মাফ করবেন না।

অন্য হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, যে ব্যাক্তি সাবান চাঁদের পঁনের তারিখে রাতে এবাদত করবে এবং দিনে রোজা রাখবে, দোজখের আগুন তাকে স্পর্শ করতে পারবে না।

এক হাদীসে এসেছে নবী কারীম (সা:) বলেছেন, এই রাতে আল্লাহ তা’আলা মোমিন মুসলমাদিগকে ডাকিয়া বলেন, আজ আমার যে বান্দা মার্জনা কামনা করবে, আমি তাকে মার্জনা করে দেব। যে বান্দা সাস্থ্য কামনা করবে, তাকে সাস্থ্য দান করব। যে বান্দা ধনৈশ্ব্-র্যের কামনা করবে, তাকে ঐশ্বর্যশালী করে দিব।

সূর্য অস্তমিত হওয়ার পরক্ষণ থেকে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের নূরের তাজাল্লি পৃথিবীর কাছাকাছি আসমানে প্রকাশ পায়। তখন আল্লাহপাক বলতে থাকেন—আছে কি কেউ ক্ষমাপ্রার্থী? যাকে আমি ক্ষমা করব, আছে কি কেউ রিজিকপ্রার্থী? যাকে আমি রিজিক প্রদান করব। আছে কি কেউ বিপদগ্রস্ত? যাকে আমি বিপদমুক্ত করব। আল্লাহপাকের মহান দরবার থেকে প্রদত্ত এ আহ্বান অব্যাহত থাকে ফজর পর্যন্ত। বস্তুত শবেবরাত হলো আল্লাহপাকের মহান দরবারে ক্ষমা প্রার্থনার বিশেষ সময়। আল্লাহপাকের নৈকট্য ও সান্নিধ্য লাভের এক দুর্লভ সুযোগ এনে দেয় এ শবেবরাত। অতএব, প্রতিটি কল্যাণকামী মানুষের প্রধানতম কর্তব্য হলো এ সুযোগের পূর্ণ সদ্ব্যবহার করা।

এ রাতে করনীয়ঃ

এ পুরো রজনী হল ক্ষমা প্রার্থনার জন্য এক উত্তম রাত্রী, যার ফজীলত হাজার রাতের ইবাদতের চেয়েও উত্তম। এ রাতে বান্ধা তার সকল পাপ কাজের ক্ষমা প্রার্থনা করার জন্য আল্লাহর আরশ উন্মুক্ত পাবে আর মহান আল্লাহ ও নিজেই ঘোষনা করে দিয়েছেন যে তিনি চাইতে থাকেন খুজতে থাকেন কে তাহার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা চাচ্ছে। তাই আমাদের উচিত এই রাতে বেশী বেশী ইবাদত করা, নফল নামাজ পড়া, জিকির করা, কুরআন পাঠ করা। এই দিনে সূর্য অস্তমিত হওয়ার সাথে সাথে আল্লাহ পাকের নূর সর্বনিম্ন আকাশে অবতীর্ণ হয় এবং বলা হয়- কে আছ গুনাহ মাফ করাতে চাও? কে আছ তার মনের আকাংখা পূরণ করাতে চাও? কে আছ তার রুজী বৃদ্ধি করাতে চাও? কে আছ তার রোগ, শোক, দুঃখ কষ্ট দূর করাতে চাও? এরূপ ঘোষণার সময় যদি কোন বান্দা হাত তুলে মুনাজাত করে, তবে আল্লাহ আয যাওযাল তার মুনাজাত কবুল করে নেন।

শবে বরাতের নামায এবং নিয়ম কানুনঃ

প্রকৃত অর্থে শবে বরাতের নামাজ বলে আলাদা কিছু নেই, যেহেতু এই রাতটি ইবাদত বন্দেগী করে কাটাতে হবে তাই হাদিসেই এই সমাধান দেয়া হয়েছে। আর বিশ্ব মুসলিম এই বিশেষ কিছু ইবাদত পালন করে থাকেন। হাদিসের আলোকে আমী সেগুলোর কথাই নিন্মে উল্লেখ করছিঃ

সন্ধ্যায়ঃ

এই রাতে মাগরিব নামাজের পর হায়াতের বরকত, ঈমানের হেফাযত এবং অন্যের মুখাপেক্ষী না হওয়ার জন্য দু রকাত করে মোট ৬ রকাত নফল নামায পড়া উত্তম।

এই ৬ রাকাত নফল নামাযের নিয়মঃ

প্রতি রকাতে সূরা ফাতিহা এরপর যে কোন একটি সূরা পড়তে হবে। দু রকাত নামায শেষে করে সূরা ইয়াছিন বা সূরা ইফলাছ শরীফ ২১ বার তিলায়াত করতে হবে।

শব-ই বরাত এর নফল নামাযঃ

১। দুই রকাত তহিয়াতুল অযুর নামায।

নিয়মঃ প্রতি রকাতে আল হামদুলিল্লাহ ( সূরা ফাতিহা) পড়ার পর , ১ বার আয়াতুল কুরসী এবং তিন বার ক্বুলহু আল্লাহ শরীফ ( সূরা এখলাছ) । ফযীলতঃ প্রতি ফোটা পানির বদলে সাতশত নেকী লিখা হবে।

২। দুই রকাত নফল নামায।

নিয়মঃ ১নং নামাযের মত, প্রতি রকাতে সূরা ফাতিহা পড়ার পর, ১ বার আয়াতুল কুরসী এবং ১৫ বার করে সূরা এখলাছ শরীফ, অতপর সালাম ফিরানোর পর ১২ বার দুরূদ শরীফ। ফযীলতঃ রুজিতে রবকত, দুঃখ-কষ্ট হতে মুক্তি লাভ করবে, গুনাহ হতে মাগফিরাতের বখসিস পাওয়া যাবে।

৩। ৮ রকাত নফল নামায , দু রকাত করে পড়তে হবে।

নিয়মঃপ্রতি রকাতে সূরা ফাতিহার পর , সূরা এখলাছ ৫ বার করে। একই নিয়মে বাকি সব। ফযীলতঃ গুনাহ থেকে পাক হবে , দু’আ কবুল হবে এবং বেশী বেশী নেকী পাওয়া যাবে।

৪। ১২ রকাত নফল নামায , দু রকাত করে।

নিয়মঃ প্রতি রকাতে সূরা ফাতিহার পর, ১০ বার সূরা এখলাছ এবং এই নিয়মে বাকি নামায শেষ করে , ১০ বার কলমা তওহীদ, ১০ বার কলমা তামজীদ এবং ১০ বার দুরূদ শরীফ।

৫। ১৪ রকাত নফল নামায, দু রকাত করে।

নিয়মঃপ্রতি রকাত সূরা ফাতিহার পর যে কোন একটি সূরা পড়ুন। ফযীলতঃ যে কোন দু’আ চাইলে তা কবুল হবে।

৬। চার রকাত নফল নামায, ১ সালামে পড়তে হবে।

নিয়মঃ প্রতি রকাতে সূরা ফাতিহা পর ৫০ বার সূরা এখলাছ শরীফ। ফযীলতঃ গুনাহ থেকে এমনভাবে পাক হবে যে সদ্য মায়ের গর্ভ হতে ভুমিষ্ঠ হয়েছে।

৭। ৮ রকাত নফল নামায, ১ সালামে।

নিয়মঃ প্রতি রকাতে সূরা ফাতিহার পর ১১ বার সূরা এখলাছ শরীফ।

ফযীলতঃ
এর ফজিলতে সর্ম্পকে বর্ণিত আছে যে, হযরতে সৈয়্যদাতুনা ফাতেমা রাদিআল্লাহু আনহুমা এরশাদ করেছেন, “ আমি ঐ নামাজ আদায় কারীর সাফা’য়াত করা ব্যাতিত জান্নাতে কদম রাখবো না। রোযার ফযীলত হুজুর সালল্লাহু তা’আলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেছেন, যে শাবানে ১ দিন রোযা রেখেছে, তাকে আমার সাফা’য়াত হবে। আরো একটি হাদীস শরীফে আছে যে, হুজুর সালল্লাহু তা’আলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেছেন, যে ব্যাক্তি শাবানের ১৫ তারিখে রোযা রাখবে, তাকে জাহান্নামের আগুন ছোঁবে না।

এছাড়াও পড়তে পারেন ‘সালাতুল তাসবীহ এর নামাজ। এই নামাজের অনেক অনেক ফযীলত রয়েছে।

রাসূলুল্লাহ সালল্লাহু তা’আলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্বীয় চাচা হযরত আব্বাস রাদিআল্লাহু আনহুকে এই নামায শিক্ষা দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন যে, এই নামায পড়লে আল্লাহ আয-যাওযাল আপনার আউয়াল আখেরের সগীরা কবীরা জানা অজানা সকল গুনাহ মাফ করে দিবেন।

“হে চাচা জান ! আপনি যদি পারেন, তবে দৈনিক একবার করে এই নামায পড়বেন। যদি দৈনিক না পারেন, তবে সপ্তাহে একবার পড়বেন। যদি সপ্তাহে না পারেন, তবে মাসে একবার পড়বেন। যদি মাসে না পারেন, তবে বছরে একবার পড়বেন। যদি এটাও না পারেন, তবে সারা জীবনে একবার হলেও এই নামায পড়বেন ( তবুও ছাড়বেন না)”।

সালাতুল তাজবীহ নামাজের নিয়মঃ

চার রকাত । প্রতি রকাতে সূরা ফাতিহার পর, যে কোন সূরা পড়তে পারেন। তবে এই নামাযে বিশেষত্ব এই যে, প্রতি রকাতে ৭৫ বার করে, চার রকাতে মোট ৩০০ বার তাসবীহ পড়তে হবে। তাসবীহঃ سُبْحاَنَ الله وَالْحَمدُ للهِ وَلآَ اِلَهَ اِلاَّاللهُ وَاللهُ اَكْبرُ উচ্চারণঃ সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদু লিল্লাহি ওয়া লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার। প্রথমে দাড়িয়ে চার রকাতের নিয়্যাত করে, ছানা, তা’উয ও তাসমিয়া পড়ার পড়ে ১৫ বার তাসবীহ অতপর, সূরা ফাতিহার পড়ে, যে কোন একটি সূরা পড়ে দাড়ানো অবস্থায় ১০ বার তাসবীহ অতপর, রুকুতে গিয়ে রুকুর তাসবীহ পড়ে , রুকুঅবস্থায় ১০ বার তাসবীহ অতপর, রুকু হতে উঠে দাড়ানো অবস্থায় ১০ বার তাসবীহ অতপর, ১ম সিজদায় গিয়ে সিজদার তাসবীহ পড়ে, সিজদা রতঅবস্থায় ১০ বার তাসবীহ অতপর, সিজদাহ হতে উঠে বসাঅবস্থায় ১০ বার তাসবীহ অতপর, ২য় সিজদায় গিয়ে সিজদার তাসবীহ পড়ে, সিজদারত অবস্থায় ১০ বার তাসবীহ। এই ভাবে প্রথম রকাত শেষ করে , বাকি তিন রকাত নামাজ শেষ করতে হবে।

মনে রাখতে হবে হুড়াহুড়ি করে উঠবস করে ১০০ রাকাত পড়ার চেয়ে আগ্রহের সঙ্গে একনিষ্ঠভাবে দীর্ঘ রুকু-সিজদা করে দু’রাকাত পড়া অনেক ভালো। আর সঙ্গে সঙ্গে অবশ্যই নিজের জন্য, নিজের পিতা-মাতা, সন্তান-সন্ততি ও সব মুসলিম জাতির জন্য বেশি বেশি দোয়া করবে, তাওবা ও ক্ষমাপ্রার্থনা করা উচিৎ।

যে বিষয় গুলো অবশ্যই মেনে চলা উচিতঃ
আমরা ভুলো মনে কিংবা আবেগের বশবর্তি হয়ে অনেক সময় এ রাতের করনীয় থেকে তাতপর্যের প্রকৃত অর্থ থেকে দূরে সরে যাই। এটা মোটেই ঠিক না।। মাঝে মাঝে দেখা যায় আমাদের আম্মুরা আমাদের বোনেরা বাসায় হালুয়া-রুটি বানাতে ব্যস্ত থাকেন তা একেবারেই অনুচিত। বলা হয় শয়তানই এ রাতে মানুষকে ইবাদত থেকে দূরে রাখার জন্য মানুষকে এসব কাজে ব্যস্ত রাখে। অনুরূপভাবে মসজিদ-মাজারে খিচুড়ি-ফিরনি এসবও বাহুল্য। অনেক জায়গায় তো এসব নিয়ে শোরগোল-মারামারি পর্যন্ত হয়। ইবাদতের রাত কেটে যায় হেলায়-অবহেলায়। আতশবাজি, তারাবাজি, বোমাবাজি ইত্যাদি যেন না হয় সেজন্য মা-বাবা, এলাকার মুরবি্ব ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিশেষভাবে নজরদারি করতে হবে। এছাড়া ইবাদত করার আড়ালে কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ড হচ্ছে কি-না সেদিকেও সবাইকে সতর্ক দৃষ্টি দিতে হবে। হাদিসে কয়েক ধরনের লোকের কথা এসেছে। যারা এ রাতেও আল্লাহর করুণা ও দয়া থেকে বঞ্চিত। তাদের মধ্যে হিংসুক, মুশরিক, অন্যায়ভাবে হত্যাকারী, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী, পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তান, মদ্যপায়ী, জাদুকর, চাঁদাবাজ, ব্যভিচারী-ব্যভিচারিণী, সুদখোর ও অত্যাচারী সৈনিক অন্তর্ভুক্ত। অতএব, তাদের বেশি করে এ রাতে ক্ষমা চাওয়া উচিত এবং ভবিষ্যতে এসব পাপ আবার না করার দৃঢ়সংকল্প করা উচিত। অনেকে শবেবরাতের পর দিন অর্থাৎ ১৫ শাবান রোজা রাখেন। এটি কেবল একটি হাদিস দ্বারা প্রমাণিত, তাও দুর্বল। অতএব, তা শবেবরাতের উসিলায় নয়; বরং এমনিতে আরবি মাসের ১৫ তারিখ আইয়্যামে বীয উপলক্ষে রাখা যেতে পারে। সবশেষে কথা হলো, পাপমুক্ত হয়ে রমজান মাসকে স্বাগত জানানোই এ রাতের তাৎপর্য। অতএব এশা ও ফজরের নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করে সারারাত ইবাদত ও প্রার্থনায় কাটাতে পারলে তা-ই হবে এ রাতের সঠিক মূল্যায়ন। আলোকসজ্জা, হালুয়া-রুটি আর আতশবাজির মেলা এ রাতের পবিত্রতায় আঘাত হানে।

আর প্রায় সময়ই আমরা অনেকেই একটা ভুল করে থাকি বা ভুল হয়ে যায় আর সেটা হল সারা রাত নফল নামাজ কে প্রাধান্য দেই আর দিতে গিয়ে ভোরের দিকে ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়ি, ফলে পড়া হয়না ফজরের নামাজ যেটা আমাদের জন্য ফরজ ঘোষনা করা হয়েছে। সুতরাং মাথায় রাখতে হবে ফরজ যাতে ছুটে না যায়।

সবাই নিজের পাশাপাশি অন্যের জন্য , আমাদের এ মাতৃভূমির জন্য, আমাদের আব্বা আম্মার জন্য , পরিবারের জন্য আমাদের মৃত আত্তীয় সজন দের জন্য দোয়া করবেন।

নাজমুল হাসান মেহেদী

Thursday, June 20, 2013

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য পুরোপুরি অসত্য, চরম বিভ্রান্তিক ও জাতির জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার জাতীয় সংসদে তার বক্তব্যে শাপলা চত্বরে ৫ মে রাতে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে কোনো গোলাগুলির ঘটনা ঘটেনি, হেফাজতের কর্মীরা গায়ে রঙ মেখে রাস্তায় পড়ে ছিল এবং পুলিশ টান দেয়ার পর লাশ দৌড় মারল ইত্যাদি যেসব মন্তব্য করেছেন তা পুরোপুরি অসত্য, চরম বিভ্রান্তিকর এবং জাতির জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। দেশের সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকে এমন চরম দায়িত্বহীন মন্তব্যে আমি বিস্মিত, হতবাক। তার মন্তব্যে ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানানোর ভাষাও আমি হারিয়ে ফেলেছি। কোনো রকমের তদন্ত ছাড়াই প্রধানমন্ত্রীর মতো দায়িত্বপূর্ণ আসনে বসে তিনি কীভাবে এদেশের আলেম-ওলামাদের ওপর ইতিহাসের একটি বর্বরোচিত কলঙ্কজনক ঘটনার ব্যাপারে এভাবে সংসদে দাঁড়িয়ে ডাহা অসত্য কথা বলতে পারলেন! ঘটনার একদিন পরই যেখানে পত্রপত্রিকায় অসংখ্য আহত-নিহত ব্যক্তির ছবি এসেছে, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে পুলিশের নির্বিচার গুলিতে মানুষ মারার ভিডিও চিত্র প্রচারিত হয়েছে এবং অসংখ্য ভিডিও চিত্র এখনও সংরক্ষিত আছে।

প্রধানমন্ত্রীর এ ধরনের বক্তব্য শহীদদের লাশ নিয়েও উপহাস করার সামিল, তিনি (প্রধানমন্ত্রী) হেফাজতের কর্মীরা রঙ মেখে পড়ে ছিল, লাশ পাখির মতো উড়ে গেল ইত্যাদি বিদ্রুপাত্মক মন্তব্যও করেছেন।
আশপাশের কোনো ভবনে গুলির চিহ্ন নেই দাবি করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সেদিন কোনো গোলাগুলির ঘটনাই ঘটেনি। এ ধরনের হালকা কথা দেশের দু-দুবারের একজন প্রধানমন্ত্রীর মুখে মোটেও শোভা পায় না। প্রকারান্তরে তিনি এদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ ও আলেম-ওলামাদের রক্ত নিয়েই উপহাস করেছেন। ৫ মে রাতে শাপলা চত্বরে কী ঘটনা সরকার ঘটিয়েছে সেটা দেশের মানুষ এবং বিশ্ববাসীর কাছে অনেকটাই পরিষ্কার। সেখানে অবস্থানকারী এবং জীবন নিয়ে ফিরে আসা আলেম ওলামারা ঘটনার সাক্ষী। ঘটনার বিবরণ এসেছে আন্তর্জাতিক টিভি চ্যানেল আল-জাজিরাসহ বিভিন্ন পত্রিকায়। দেশীয় সংবাদমাধ্যমেও কিছুটা এসেছে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, ইন্টারনেট, ব্লগে ঘটনার ধারণ করা ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে।

এতে পরিষ্কার, সেদিন শাপলা চত্বরে ঘুমন্ত ও জিকিররত আলেম ওলামাদের ওপর হাজার হাজার পুলিশ, র্যাব, বিজিবিকে দিয়ে রাস্তার বাতি নিভিয়ে হামলা করে অসংখ্য মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, আহত হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে চালানো হামলার সঙ্গে সঙ্গেই আহত নিহতদের ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে এবং রাস্তা পরিষ্কার করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে মিডিয়া ছিল বলে যে কথা সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাও অসত্য। মিডিয়াকে অনেক দূরে রাখা হয়েছিল এবং ঘটনা শেষ হয়ে যাওয়ার পর শেষের দিকে ঘটনাস্থলে প্রবেশ করতে দিয়েছিল। তারপরও মিডিয়া ঘটনার অনেক বীভত্স চিত্র ধারণ করতে সক্ষম হয়। কিন্তু সরকারের বাধার কারণে মিডিয়া সেগুলো পুরোপুরি প্রকাশ করতে পারেনি। ওই রাতেই দিগন্ত ও ইসলামিক টেলিভিশন বন্ধ করে দেয়ার ঘটনাই সেটা প্রমাণ করে।

ঘটনার পরের দিন থেকে হেফাজতের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করে হেফাজতকে দমিয়ে রাখার চেষ্টা শুরু করে সরকার। হেফাজতের মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীসহ নেতাদের গ্রেফতার করে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। আল্লামা বাবুনগরীকে মারাত্মকভাবে অসুস্থ করে হাসপাতালে ভর্তি করে সম্প্রতি মুক্তি দেয়া হয়। তিনি এখনও হাসপাতালের বেডে কাতরাচ্ছেন। মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষকদের ওপর নানা হুমকি-ধমকি, আহত-নিহতদের পরিবারকে ভয়ভীতি দেখিয়ে দমিয়ে রাখার চেষ্টা অব্যাহত আছে। অনেক পরিবারকে হেফাজত নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য চাপ দেয়া হয়। ফলে আহত-নিহতদের ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করা দুরূহ হয়ে পড়ে। এ ধরনের ঘটনায় আহত-নিহতদের সঠিক সংখ্যা কখনও জানা যায় না- এমন কথা দেশীয় আন্তর্জাতিক মিডিয়ার খবরেও বলা হয়েছে।

ঘটনার পর হেফাজতকে কটাক্ষ করে কথা বলেছেন সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা। দফতরবিহীনমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত চরম উসকানিমূলক মন্তব্য করেছেন, সুবহানাল্লাহ সুবহানাল্লাহ বলতে বলতে নাকি হেফাজতের কর্মীরা পালিয়ে গেছে। ওইদিন হেফাজতে ইসলাম তাণ্ডব চালিয়েছে বলে সরকারি তরফে বিভিন্নভাবে প্রচার করা হচ্ছে। হেফাজতের বিরুদ্ধে কোরআন পোড়ানোর অভিযোগ করা হচ্ছে। সর্বশেষ প্রধামন্ত্রী বললেন রঙ মেখে লাশের ভান করে হেফাজতকর্মীরা রাস্তায় পড়ে থেকে নাটক করেছে। সরকারের এ ধরনের আচরণ থেকেই অনুমান করা যায়, আসলে সেদিন কী ঘটেছিল।
ঘটনায় নিহত হওয়ার সংখ্যা যাই হোক, ঘটনাটি গণহত্যা এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে সরকারি বাহিনী কর্তৃক তার নাগরিকদের ওপর এমন হত্যাযজ্ঞ চালানোর ঘটনা এরআগে আর ঘটেনি। এই ঘটনাকে ’৭১ এ পাক হানাদার বাহিনীর গণহত্যার সঙ্গে তুলনা করা যায়।

হেফাজতে ইসলাম শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখা, ব্যাপক রক্তপাত ও হতাহতের ঘটনায় দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থ চিন্তা করে ঘটনার পর অত্যন্ত দায়িত্বশীল আচরণ করে। হরতাল আহ্বান করেও তা প্রত্যাহার করে নেয়। এখনও আমরা বড় কোনো আন্দোলন কর্মসূচি দিইনি। ধর্মপ্রাণ মানুষ ধৈর্য ধারণ করছে। আমরা আল্লাহর দরবারে দোয়া মোনাজাতের মধ্যেই আমাদের কর্মসূচি সীমাবদ্ধ রেখেছি। আল্লাহতায়ালার কাছে বিচারের ভার অর্পণ করি। যে ইসলামকে বুকে ধারণ করে, কোরআন ও রাসুলের ইজ্জতকে রক্ষার জন্য আমরা ১৩ দফা আন্দোলনে নামি, সেই ঈমানি আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোরআন পোড়ানোর মতো অপবাদ দিতেও এই সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা একটুও দ্বিধা করেনি। যারা কোরআনের সম্মান রক্ষায় জীবন দিতে পারে, তারা কোরআন পোড়াবে—এমন কথা এদেশের ঈমানদার একটি মানুষের কাছেও গ্রহণযোগ্য হবে না।

ঘটনার পর আমরা বিচারবিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছিলাম। কিন্তু সরকার ঘটনার দেড় মাস পরও কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করেনি। ঘটনার প্রকৃত তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ হয়ে যাওয়ার ভয়ে সরকার তদন্ত কমিটি গঠন থেকে বিরত রয়েছে বলে আমরা মনে করি। এতদিন চুপ করে থাকার পর হঠাত্ করে প্রধানমন্ত্রী কেন ৫ মে ঘটনার ব্যাপারে এভাবে অসত্য তথ্য দিলেন, ঘটনাকে আড়াল করার চেষ্টা করলেন এবং সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ করলেন, তা সবাই বুঝতে পারছে। আমরা আগেই সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলাম, প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ করে, ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে আহত-নিহতদের ক্ষতিপূরণ দিয়ে, ঘটনার জন্য দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করে এবং হেফাজতের ১৩ দফা দাবি মেনে নেয়ার জন্য। কিন্তু সরকার সে পথে না গিয়ে হেফাজতকে দমিয়ে রাখা এবং প্রকৃত ঘটনা আড়াল করার পথ বেছে নিয়েছে। এটা যে বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের জন্য ক্ষতিকর হবে, তা আমরা হুশিয়ার করেছি। শাপলা চত্বরের ঘটনা দেশের আগামী দিনের প্রতিটি ঘটনার ওপর গভীর প্রভাব ফেলবে বলেও হেফাজতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। সেটার প্রতিফলন এরই মধ্যে শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি কোন পর্যায়ে গেলে দেশের মানুষ সরকারের কথায় বিশ্বাস করতে পারে না; সেটা সবার বোঝা উচিত।

আমি শাহ আহমদ শফী, ৫ মে শাপলা চত্বরের ঘটনার ব্যাপারে সংসদে প্রদত্ত বক্তব্য প্রত্যাহার করে নেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, ৫ মে ঘটনার ব্যাপারে প্রশাসন আপনার আশপাশের লোকরা হয়তো আপনাকে বিভ্রান্ত করেছে। আপনাকে সঠিক তথ্য দেয়নি। আপনি প্রকৃত ঘটনা না জেনেই হয়তো এমন মন্তব্য করেছেন। আপনি দেশের একটি ঐহিত্যবাহী রাজনৈতিক দলের প্রধান। দেশের দুইবারের প্রধানমন্ত্রী। আপনি কোনো কথা বলার আগে ভালোভাবে জেনে বুঝে বলবেন- এমনটিই কাম্য। আপনার কথাকে কেউ মিথ্যা আখ্যায়িত করাটা আপনার অবস্থান ও পদ পদবীর সঙ্গে একেবারেই বেমানান।

দেরিতে হলেও একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করে পুরো ঘটনাটি তদন্ত করে ঘটনার জন্য দায়ীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর জন্য আবারও প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানাই। একই সঙ্গে সংবিধানে আল্লাহ ও আল্লাহর ওপর আস্থা ও বিশ্বাসের নীতি পুনঃস্থাপন, মহানবীর অবমানাকারীদের মৃত্যুদণ্ডের বিধান করে আইন পাস, নাস্তিক ব্লগারদের শাস্তিসহ ১৩ দফা দাবি মেনে নিয়ে ঈমানদার ধর্মপ্রাণ মানুষের ক্ষোভ কমানোর জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই।

আল্লামা শাহ আহমেদ শাফী
আমির
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে হেফাজত সম্পর্কে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা ইতিহাসের জঘন্য মিথ্যাচার

প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে অকথ্য ভাষায় অশালীন কায়দায় অসত্য উচ্চারণ করে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এই পদটিকে কলঙ্কিত করেছেন। তিনি তার বক্তব্যে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত শাপলা চত্বরের গণহত্যার ঘটনায় দেড় লক্ষাধিক গোলাবারুদ ব্যবহারের হিসাবকে উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, ‘যদি এত গুলি খরচ করা হয় তাহলে তো মতিঝিলের ভবনগুলোতে গুলির চিহ্ন থাকতো। কয়েক হাজার মানুষ আহত হতো। সে দিনকার ঘটনা তো টিভিতে লাইভ প্রচার করা হয়েছে।’ আমরা মনে করি, প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে সরকারের দৈন্যদশা ফুটে উঠেছে।

সরকারঘেঁষা আচরণের দায়ে বিশ্বমিডিয়ার কাছে নিন্দিত বাংলাদেশের সংবাদপত্র ও মিডিয়াগুলোতে যে তথ্য ও চিত্র প্রকাশিত হয়েছে তাও প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে উপহাস করে। সেখানেও গণহত্যা এবং আওয়ামী তাণ্ডবের চিত্র জনগণ প্রত্যক্ষ করেছে। বাংলাদেশের প্রশিক্ষিত যৌথবাহিনী এতো আনাড়ি হাতে গুলি চালায়নি যে, জিকিররত হেফাজতকর্মীদের পরিবর্তে তা আশপাশের ভবনে গিয়ে আঘাত করবে। সেদিনের গুলির লক্ষ্যবস্তুই ছিল শুধু হেফাজতকর্মীরা। চারদিক থেকে ঘিরে তাদের ওপর জঘন্য কায়দায় গুলি চালানো হয়েছে।

নূর হোসাইন কাসেমী
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ
ঢাকা মহানগর

Few picture of 5 & 6 May Genocide in Dhaka

৫ এবং ৬ মে ২০১৩ এর গনহত্যার কিছু ছবি-


ঘোষনাঃ ৫ই মে' এর যে কোন দৃশ্য আপনার মোবাইল ফোন বা ক্যামেরায় ধারন করা কোন ছবি বা ভিডিও যদি থাকে তা নিজ দ্বায়িত্বে অনলাইন এ্যাক্টিভিটিস নেটওয়ার্কের কাছে প্রেরন করুন অথবা আমাদের ইমেইল করুন-
hifazatheislam@gmail.com
আপনার পাঠানো যে কোন তথ্য করতে পারে সত্যকে প্রস্ফুটিত।


 
হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফা আন্দোলন নিয়ে সরকার জনগণের সাথে প্রতারণার আশ্রয় নিচ্ছে। ধোকা দেয়ার চেষ্টা করছে। সরকারের মনে রাখা উচিত, ধোকাবাজি করে পার পাওয়া যাবে না
---
মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক
বাংলাদেশের নাস্তিকরা ফেরাউন নমরুদের চেয়েও জঘন্য
---
বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ, মুফাসসীরে কোরআন মাওলানা নুরুল ইসলাম ওলিপুরী